North Bengal Siliguri WestBengal

করানো ও আমফান ঝড়ের থাবায় বিপন্ন মালদা জেলার আম!

মালদা: এই মারণ ভাইরাসের আতঙ্ক এবং তার সাথে আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলার প্রধান অর্থকরী ফসলের সাথে যুক্ত প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে জড়িয়ে থাকা প্রায় ৭ লক্ষ মানুষ।
ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা। আতংকে জেলার আম চাষী, শ্রমিক, রপ্তানিকারক ছাড়াও এই চাষের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষ।
মালদা জেলার প্রধান অর্থকরী ফল আম। আর এই আম চাষের উপরেই নির্ভর বহু মানুষের জীবন-জীবিকা। জেলার অর্থনীতি সচল রাখতে এই ফলের রাজার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এবছর মালদায় মোট ৩০ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আম চাষ করা হয়েছে।
খারাপ আবহাওয়া ঝড় প্রচন্ড শিলাবৃষ্টি সত্বেও এ বছরে আমের ফলন এর লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
তবে প্রতিকূল আবহাওয়া প্রচন্ড আমফান ঝড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আম চাষ। তার উপর করোনার ভয়াল থাবা ফলে বিপন্ন মালদা জেলার প্রায় ৯০ হাজার আম বাগানের মালিক।

আম চাষী ও বাগান মালিক অরবিন্দ দাস জানান করোনা ও আমফান ঝড়ের প্রভাবে দীর্ঘ লকডাউন এর কারণে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে জেলার আমবাগান গুলিতে। এই আমফান ঝড় ও তার সাথে করোনার থাবার কারণে আম এ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জেলার আম চাষ।

মহদীপুর এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সমীর ঘোষ জানান ২০০৯ সাল পর্যন্ত মালদার আমের একটা বড় অংশ রপ্তানি হতো বাংলাদেশে। কিন্তু অল্প সময়ে অধিক লাভের আশায় বেশি কীটনাশক ও রাসায়নিক ব্যবহারে কৌলিন্য হারিয়েছে মালদার আম। ফলে বিদেশের বাজারেও ধীরেধীরে চাহিদা কমছে জেলার আমের

মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্স এর সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু জানান বিদেশের বাজারে আমের চাহিদা কমলেও দেশে উত্তর প্রদেশ দিল্লি গোহাটি ত্রিপুরা বিহার সহ বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক বছরে বেড়েছিল মালদার আমের চাহিদা। কিন্তু দীর্ঘ লকডাউন এর ফলে এখন সবই বন্ধ। আগ্রহ হারাচ্ছেন ক্রেতারা। ফলে বিরাট ক্ষতির সামনে দাঁড়িয়ে সরকারি সাহায্যের দাবি করছেন মালদার বনিক মহল।

News: Tanuj Jain.

Share this:

You may also like