North Bengal Politics Siliguri

বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনের সিটুর পঞ্চম মালদা জেলা সম্মেলন শনিবার চাঁচলে অনুষ্ঠিত হয়।

বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনের সিটুর পঞ্চম মালদা জেলা সম্মেলন শনিবার চাঁচলে প্রকাশ্য জনসভায় যোগ দেন সুজন চক্রবরতী সেখানেই সুজন বাবু বলেন, আমরা আগাগোড়াই বলেছি, বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের গোপন আঁতাত রয়েছে। এ রাজ্যে এনআরসি চালু করার প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি আখেরে মুখ্যমন্ত্রীকে আন্দোলনের সুযোগ করে দিয়েছেন। বিজেপি বলছে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে হবে। আর তার বিরোধীতা করে ময়দানে নেমে পড়েছে তৃণমূল। কিন্তু সবটাই লোকদেখানো। কেননা ১৯৯৩ সালে এনআরসি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীই সরব হয়েছিলেন। আর তাই দিল্লি গিয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেও এনআরসি নিয়ে একটাও কথা খরচ করেননি তিনি। আসলে তিনি গিয়েছিলেন প্রাক্তন নগরপাল রাজীব কুমারকে বাঁচাতে। শ্রমিক সংগঠন সিটুর পঞ্চম জেলা সন্মেলন এবার আয়োজন করা হয়েছে চাঁচলে। দুদিন ব্যাপী সন্মেলনের শনিবার ছিল প্রথম দিন। এদিন তরলতলায় ছিল প্রকাশ্য সভা। সেখানে হাজির ছিলেন সিপিএমের জেলা সম্পাদক অম্বর মিত্র, সিটির রাজ্য সভাপতি সুভাষ মুখোপাধ্যায়, জেলা সভাপতি ও সম্পাদক প্রণব দাস, দেবজ্যোতি সিংহ সহ একাধিক নেতা।

বিকেলে প্রকাশ্য সভায় সুজন অভিযোগ করেন, এ রাজ্যে এনআরসি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এতটাই সরব ছিলেন যে তিনি ২০০৩ সালে লোকসভায় ডেপুটি স্পিকারকে কাগজও ছুঁড়ে মেরেছিলেন। তিনি বলতেন, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ ঘটছে। আর তাদের ভোটেই বামফ্রন্ট জয়ী হচ্ছে। ফলে তা রুখতে এনআরসি চালু করতে হবে। আর এখন তিনি তার বিরোধীতা করছেন। বিজেপিই সেই সুযোগ করে দিয়েছে। পাশাপাশি এ রাজ্যে পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে পৌরসভা, সবেতেই তোলাবাজি রাজ চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। কটাক্ষ করেন দিদিকে বলো কর্মসূচিরও। তিনি বলেন, প্রশান্ত কিশোরকে ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে নিয়ে আসা হয়েছে। তারাই এ সবের নিদান দিচ্ছেন। দিদি তথা মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু জানাতে হলে কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হবে কেন সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও কটাক্ষ করে সুজন বলেন, দিলীপবাবু অনুপ্রবেশকারী তাড়ানোর কথা বলছেন। তার নিজের কি কাগজপত্র আছে। তারা আবার অন্যদের তাড়ানোর কথা বলছেন।

News: অভিষেক সাহা।

Share this:

You may also like