Uncategorized

ভোট কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক নির্বাচন কমিশন

ভোট কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক নির্বাচন কমিশন

অরুণ কুমারঃ লোকসভা ভোটের দিনক্ষন যতই এগিয়ে আসছে ,রাজনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি বাড়ছে প্রশাসনিক গতিবিধিও ।কিন্তু সবছেয়ে দুঃশ্চিন্তা আর ভীতি আবদ্ধ করে রেখেছে ভোট কর্মীদের তা হল নিরাপত্তার বভোট কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক নির্বাচন কমিশন

অরুণ কুমারঃ লোকসভা ভোটের দিনক্ষন যতই এগিয়ে আসছে ,রাজনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি বাড়ছে প্রশাসনিক গতিবিধিও ।কিন্তু সবছেয়ে দুঃশ্চিন্তা আর ভীতি আবদ্ধ করে রেখেছে ভোট কর্মীদের তা হল নিরাপত্তার বিষয়টি । এবারের নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে কোচবিহার ,আলিপুরদুয়ার থেকে রায়গঞ্জ মালদা থেকে দক্ষিন বঙ্গেও একই ছবি দেখা মিলবে । নিরাপত্তার দাবীতে ভোট কর্মীদের প্রতিবাদে কার্যত সরব হয়ে উঠেছে কোচবিহার আলিপুরদুয়ার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত। কোথাও রাস্তা অবরোধ করে, কোথাও আবার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিতরেই বিক্ষোভ দেখিয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন তাঁরা। প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে সরব এবারের ভোটকর্মীরা। কিছুদিন আগে আলিপুরদুয়ার জেলার কয়েকশো ভোটকর্মী এই দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। এদিন ভোট কর্মীরা মিছিল করে এসে ডুয়ার্সকন্যাশতে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করে তাদের আশঙ্কার কথা যেমন জানিয়েছে । তেমনি মাসেও মালদহ,রায়গঞ্জ কোচবিহারেও এই ছবি দেখতে পাওয়া যাবে । অধিকাংশ ভোটকর্মীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটে বহু ভোটকর্মীকে প্রাণ হাতে করে আসতে হয়েছে বুথ থেকে। পঞ্চায়েত ভোটের পুনরাবৃত্তি হোক সেটা তারা চান না। কোচবিহারে বুথের সংখ্যা ২০১০ টি। আলিপুরদুয়ারে বুথের সংখ্যা ১৮৩৪ টি। প্রথম দফা নির্বাচনে মোট বুথের সংখ্যা ৩৮৪৪ টি। এই মোট বুথ এর মধ্যে ৪০% বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী অর্থাৎ ১৫৩৮ টি বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে।
কোচবিহারে মোট ভোটারের সংখ্যা ১৮,১০,৬৫৮ জন, আলিপুরদুয়ারে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬,৪৩,৬১৬ জন। কুচবিহার ও আলিপুরদুয়ার এই দুই জায়গার মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার সংখ্যা ২৯ জন। এখন দেখার বিষয় এটাই যে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরা জানিয়েছিলেন ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী কিন্তু নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে প্রথম দফা নির্বাচনের প্রত্যেকটি বুথেই।কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রতিটি বুথে না থাকলে তাদের নিরাপত্তা থাকবেনা। তাই তারা কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বুথ কেন্দ্রে যেতে চাইছে না। তাই তাদের দাবী প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক।” কোচবিহারে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আন্দোলনে সামিল পেশায় শিক্ষক এক ভোট কর্মী বলেন, “ পঞ্চায়েত নির্বাচনে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। এবার আর নয়। প্রত্যেক বুথে ৪ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে। তবেই বুথ কেন্দ্রে যাবো। নতুবা নয়।” অন্য একজন ভোট কর্মীর কথায়, “প্রত্যেক মানুষের জীবন বাঁচানোর অধিকার রয়েছে। আমরা নিশ্চিত মৃত্যু মুখে কেন পরতে যাবো? এর জন্য প্রশাসন বা কমিশন যা করার করবে।”
এদিকে ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য কোচবিহারে ২৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই সংখ্যাটি বাড়বে মোট ৩০ কোম্পানি থাকবে নির্বাচনের সময়, এর সঙ্গে থাকছে রাজ্যে আসা প্রথম দফার ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকবে প্রথম দফার নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথে। এমাসের প্রথম দিকে শিলিগুড়ি তে বিশেষ নির্বাচনী প্রতিনিধি বিবেক দুবে এবিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন বুথগুলিতে পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে ।
জানা গিয়েছে উত্তরে ভোটের প্রস্তুতি শুরু নির্বাচন কমিশনের৷ জঙ্গলমহলে থাকা ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে ৩০ কোম্পানিকে রাজ্যের প্রথম দফা নির্বাচনের জন্য পাঠানো হচ্ছে বলে কমিশন সূত্রে খবর৷ আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে পাঠানো হবে এই ৩০ কোম্পানি বাহিনীকে৷
এর সঙ্গে থাকছে রাজ্যে আসা প্রথম দফার ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর প্রথম দফা নির্বাচনে ৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট করানো হবে। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকবে প্রথম দফার নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথে।
লোকসভা ভোটে রাজ্যের প্রায় সাড়়ে দশ বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করল ভারতের নির্বাচন কমিশন৷ রাজ্য পুলিশের পুরনো নথির সুত্র ধরে প্রাথমিকভাবে ১০৩৪৩ টি বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সুত্রে খবর, দু’একদিনের মধ্যে আরও বেশ কিছু বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হবে৷ আর তার ভিত্তিতেই ওই সমস্ত বুথে প্রয়োজনমতো আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করে ভোটগ্রহণ পর্ব মেটানো হবে৷ অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করার লক্ষ্যে কমিশন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে৷
বিগত ভোট এবং সদ্য হয়ে যাওয়া রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটের তথ্যকে সামনে রেখেই লোকসভায় অতি সংবেদনশীল বুথগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ বিশেষ করে গত পঞ্চায়েত ভোটে শাসকদলের বাড়বাড়ন্তের কথা মাথায় রেখেই বিরোধীরা কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল৷ অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর জন্য কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি, সিপিএম এবং কংগ্রেস৷ যদিও বিরোধীদের এই দাবি এবং অভিযোগের জবাবে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এটা রাজ্যের অপমান৷ এমন পরিস্থিতির মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জেলায় উত্তেজনা প্রবণ এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু করেছে৷ বিগত নির্বাচনগুলিতে কোন কোন এলাকায় কী ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ রাজ্যে প্রাথমিকভাবে ১০৩৪৩টি উত্তেজনাপ্রবণ বুথের তালিক তৈরি করেছে। উত্তরবঙ্গের ছবিটা এরকমঃ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে ৯ জেলার স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যাঃ উত্তর দিনাজপুর- ৬৫৭। মালদা- ১২২০। মুর্শিদাবাদ- ১১৯৭। কোচবিহার- ৫০৩।উল্লেখ্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা জানিয়েছিলেন ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী থাকছে প্রতি বুথে৷ সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও কিছু বুথে থাকবেন৷ উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটে রাজ্যের প্রায় সাড়ে দশ বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছিল কমিশন৷ বলা হয়েছিল রাজ্য পুলিশের পুরনো নথির সূত্র ধরে প্রাথমিকভাবে ১০৩৪৩টি বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ আর তার ভিত্তিতেই ওই সমস্ত বুথে প্রয়োজনমতো আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করে ভোটগ্রহণ পর্ব মেটানো হবে৷ অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করার লক্ষ্যে কমিশন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে৷ বিগত ভোট এবং সদ্য হয়ে যাওয়া রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটের তথ্যকে সামনে রেখেই লোকসভায় অতি সংবেদনশীল বুথগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ বিশেষ করে গত পঞ্চায়েত ভোটে শাসকদলের বাড়বাড়ন্তের কথা মাথায় রেখেই বিরোধীরা কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল৷ রাজ্যে এবার মোট ৬ কোটি ৯৭ লক্ষ ৬০ হাজার ৮৬৮ জন ভোটার রয়েছেন ,মোট ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৭৮ হাজারের কিছু বেশী । এবারের লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে যেভাবে শাসক বনাম বিরোধী বা শাসক বনাম শাশক দল বেসেশ করে এ রাজ্যে তৃণমূল-বিজেপির তরজায় মানুষ ভীত। তাদের নিরাপত্তা দিতে হবে। এরাজ্যে ৭৭ হাজার বুথ আছে। সমস্ত বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে ঘোষণা করার দাবিতে ভোট কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন উত্তর থেকে দক্ষিণে সর্বত্র । ***িষয়টি । এবারের নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে কোচবিহার ,আলিপুরদুয়ার থেকে রায়গঞ্জ মালদা থেকে দক্ষিন বঙ্গেও একই ছবি দেখা মিলবে । নিরাপত্তার দাবীতে ভোট কর্মীদের প্রতিবাদে কার্যত সরব হয়ে উঠেছে কোচবিহার আলিপুরদুয়ার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত। কোথাও রাস্তা অবরোধ করে, কোথাও আবার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভিতরেই বিক্ষোভ দেখিয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন তাঁরা। প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে সরব এবারের ভোটকর্মীরা। কিছুদিন আগে আলিপুরদুয়ার জেলার কয়েকশো ভোটকর্মী এই দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। এদিন ভোট কর্মীরা মিছিল করে এসে ডুয়ার্সকন্যাশতে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করে তাদের আশঙ্কার কথা যেমন জানিয়েছে । তেমনি মাসেও মালদহ,রায়গঞ্জ কোচবিহারেও এই ছবি দেখতে পাওয়া যাবে । অধিকাংশ ভোটকর্মীদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটে বহু ভোটকর্মীকে প্রাণ হাতে করে আসতে হয়েছে বুথ থেকে। পঞ্চায়েত ভোটের পুনরাবৃত্তি হোক সেটা তারা চান না। কোচবিহারে বুথের সংখ্যা ২০১০ টি। আলিপুরদুয়ারে বুথের সংখ্যা ১৮৩৪ টি। প্রথম দফা নির্বাচনে মোট বুথের সংখ্যা ৩৮৪৪ টি। এই মোট বুথ এর মধ্যে ৪০% বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী অর্থাৎ ১৫৩৮ টি বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী এমনটাই খবর নির্বাচন কমিশন সূত্রে।
কোচবিহারে মোট ভোটারের সংখ্যা ১৮,১০,৬৫৮ জন, আলিপুরদুয়ারে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬,৪৩,৬১৬ জন। কুচবিহার ও আলিপুরদুয়ার এই দুই জায়গার মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার সংখ্যা ২৯ জন। এখন দেখার বিষয় এটাই যে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনিল আরোরা জানিয়েছিলেন ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী কিন্তু নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে প্রথম দফা নির্বাচনের প্রত্যেকটি বুথেই।কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রতিটি বুথে না থাকলে তাদের নিরাপত্তা থাকবেনা। তাই তারা কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া বুথ কেন্দ্রে যেতে চাইছে না। তাই তাদের দাবী প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হোক।” কোচবিহারে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আন্দোলনে সামিল পেশায় শিক্ষক এক ভোট কর্মী বলেন, “ পঞ্চায়েত নির্বাচনে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। এবার আর নয়। প্রত্যেক বুথে ৪ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে। তবেই বুথ কেন্দ্রে যাবো। নতুবা নয়।” অন্য একজন ভোট কর্মীর কথায়, “প্রত্যেক মানুষের জীবন বাঁচানোর অধিকার রয়েছে। আমরা নিশ্চিত মৃত্যু মুখে কেন পরতে যাবো? এর জন্য প্রশাসন বা কমিশন যা করার করবে।”
এদিকে ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য কোচবিহারে ২৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই সংখ্যাটি বাড়বে মোট ৩০ কোম্পানি থাকবে নির্বাচনের সময়, এর সঙ্গে থাকছে রাজ্যে আসা প্রথম দফার ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকবে প্রথম দফার নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথে। এমাসের প্রথম দিকে শিলিগুড়ি তে বিশেষ নির্বাচনী প্রতিনিধি বিবেক দুবে এবিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন বুথগুলিতে পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে ।
জানা গিয়েছে উত্তরে ভোটের প্রস্তুতি শুরু নির্বাচন কমিশনের৷ জঙ্গলমহলে থাকা ৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে ৩০ কোম্পানিকে রাজ্যের প্রথম দফা নির্বাচনের জন্য পাঠানো হচ্ছে বলে কমিশন সূত্রে খবর৷ আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে পাঠানো হবে এই ৩০ কোম্পানি বাহিনীকে৷
এর সঙ্গে থাকছে রাজ্যে আসা প্রথম দফার ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর প্রথম দফা নির্বাচনে ৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট করানো হবে। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনীও থাকবে প্রথম দফার নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথে।
লোকসভা ভোটে রাজ্যের প্রায় সাড়়ে দশ বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করল ভারতের নির্বাচন কমিশন৷ রাজ্য পুলিশের পুরনো নথির সুত্র ধরে প্রাথমিকভাবে ১০৩৪৩ টি বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সুত্রে খবর, দু’একদিনের মধ্যে আরও বেশ কিছু বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হবে৷ আর তার ভিত্তিতেই ওই সমস্ত বুথে প্রয়োজনমতো আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করে ভোটগ্রহণ পর্ব মেটানো হবে৷ অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করার লক্ষ্যে কমিশন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে৷
বিগত ভোট এবং সদ্য হয়ে যাওয়া রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটের তথ্যকে সামনে রেখেই লোকসভায় অতি সংবেদনশীল বুথগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ বিশেষ করে গত পঞ্চায়েত ভোটে শাসকদলের বাড়বাড়ন্তের কথা মাথায় রেখেই বিরোধীরা কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল৷ অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর জন্য কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি, সিপিএম এবং কংগ্রেস৷ যদিও বিরোধীদের এই দাবি এবং অভিযোগের জবাবে রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এটা রাজ্যের অপমান৷ এমন পরিস্থিতির মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জেলায় উত্তেজনা প্রবণ এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু করেছে৷ বিগত নির্বাচনগুলিতে কোন কোন এলাকায় কী ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ রাজ্যে প্রাথমিকভাবে ১০৩৪৩টি উত্তেজনাপ্রবণ বুথের তালিক তৈরি করেছে। উত্তরবঙ্গের ছবিটা এরকমঃ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে ৯ জেলার স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যাঃ উত্তর দিনাজপুর- ৬৫৭। মালদা- ১২২০। মুর্শিদাবাদ- ১১৯৭। কোচবিহার- ৫০৩।উল্লেখ্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা জানিয়েছিলেন ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ কিন্তু নির্বাচন কমিশন সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী থাকছে প্রতি বুথে৷ সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও কিছু বুথে থাকবেন৷ উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটে রাজ্যের প্রায় সাড়ে দশ বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছিল কমিশন৷ বলা হয়েছিল রাজ্য পুলিশের পুরনো নথির সূত্র ধরে প্রাথমিকভাবে ১০৩৪৩টি বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ আর তার ভিত্তিতেই ওই সমস্ত বুথে প্রয়োজনমতো আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করে ভোটগ্রহণ পর্ব মেটানো হবে৷ অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করার লক্ষ্যে কমিশন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে৷ বিগত ভোট এবং সদ্য হয়ে যাওয়া রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটের তথ্যকে সামনে রেখেই লোকসভায় অতি সংবেদনশীল বুথগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে৷ বিশেষ করে গত পঞ্চায়েত ভোটে শাসকদলের বাড়বাড়ন্তের কথা মাথায় রেখেই বিরোধীরা কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল৷ রাজ্যে এবার মোট ৬ কোটি ৯৭ লক্ষ ৬০ হাজার ৮৬৮ জন ভোটার রয়েছেন ,মোট ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৭৮ হাজারের কিছু বেশী । এবারের লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে যেভাবে শাসক বনাম বিরোধী বা শাসক বনাম শাশক দল বেসেশ করে এ রাজ্যে তৃণমূল-বিজেপির তরজায় মানুষ ভীত। তাদের নিরাপত্তা দিতে হবে। এরাজ্যে ৭৭ হাজার বুথ আছে। সমস্ত বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে ঘোষণা করার দাবিতে ভোট কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন উত্তর থেকে দক্ষিণে সর্বত্র । ***

Share this:

You may also like